সন্মানিত
আফিমখোরেরা,
যারা
যীশু
হতে
চেয়েছিলে,
কিন্তু
ভ্রষ্টবাসনার
ফাঁদে
পড়ে
হয়ে
গেছ
জেনারেল।
তোমাদের
প্রতিটি
কুমারীর
দেহে
ভর
করে
সিক্ত
যৌনতা,যার
ব্যপ্তি
ছিল
সেন্ট
পল
নগরী
ছাড়িয়ে।
অতি
প্রতুষ্যে
তারা
প্রার্থনা
ভুলে
মগ্ন
হত
রতিক্রিয়ায়।
মাত্র
একজনের
নিকটই
এসব
হদিস
থাকত,
যার
কার্ডিনাল
জুড়ে
ছিল
সাইকেল
হারানোর
যন্ত্রনা।
ফ্রয়েডের ছবির রং হয়ে যায় বালিহাঁস
পোড়া কফিতে মদের গন্ধ আসে। মদের গন্ধে মাতাল কফিন। চার্চ হতে উদগত ঘন্টাধ্বনির স্বরে বিস্মিত বুনিপ। মিশরীয় আত্মারা আফিমে মগ্ন। ওদের নেশা কাটবে মাছের কনকার ইষৎ আঘাতে। ব্যবিলন জুড়ে খরতাপ। খরতাপে বিদ্রোহী হয় আত্মা। আত্মার ক্রোধে হরষিত আত্মীয়। পরমুহূর্তে তানসেনের সাথে স্বাগত সাক্ষাত ফ্রয়েডের। বালিহাঁস সব থেকে ভাল চেনে জীবনানান্দ। দীর্ঘ মৃত্যুর পড়ে তানসেন গান ভুলে যায়,ফ্রয়েডের ছবির রং হয়ে যায় বালিহাঁস। ততক্ষনে জীবনানান্দ উঁড়ে যায় সাঁরস হয়ে। মৃত্যুর পাশে গড়িয়ে যায় আধখাওয়া জলপাই।তাতে কপূর্রের গন্ধ আসে.....
ইন্সট্রাগ্রাম
পৃথিবীর চিবুক ধরে হেঁটে যেতে যেতে আমরা কখনো ভাবতেও পারিনি হুদহুদ পাখিদের যন্ত্রনা কতটা মর্মান্তিক। জনান্তিকে পুনশ্চ: প্রেম অনাসক্তের আশ্বস্ত করা প্রেমিকার কষ্টের চেয়ে সাইকেল হারানো মুসাফিরের কষ্টকে কখনো বলেছি আমি মরচে পড়া কাঠবাদাম। যদিও হিজল বনে নিত্যকার মতো ফোটাতে চাইনি মূল্যবান টিউলিপ। মহিষের কান্নার মধ্যে সিরামিক ঢেলে আমরা কেউ ভুলতে বসেছি তীব্র উইন্টার। যদিও সন্ধায় ইন্সট্রাগ্রামে বেজে ওঠেনি গ্রামোফোনের বিষাক্ত কনসার্ট। ওদিকে যৌনতায় পরিপাটি হয়ে কেউ দিব্যি ক্রুশ আঁকা দেখছে। বিবিধ মোমেন্টাম কখনো সখোনো উইন্টারে এসে জড়িয়ে যায় কামাসাক্ত রমনীর চুলের ভাঁজ।
তাজা পাপের গন্ধ
তোমাদের ফ্লোরেন্স জুড়ে শুরু হয়ে গেছে আফিমের উৎকট ব্যবসা। ওইসব অতিথীরা যারা অতিথী পাখি শিকারে মগ্ন ছিল ,তাদের উরুর উদগত গন্ধের নাম দিয়েছিলাম আমি কোমল গান্ধার। সেইসব পাপীদের তুমি চেননা। স্নো-কোটে তারা গুজে রাখত তাজা সব পাপ। যেকোন তাজা পাপের গন্ধ অনেকটা প্যাপিরাস পাতার মত।
মার্শাল, রাজনৈতিক নেতা বনাম গনিকা
এবং একে একে মার্শালগুলোর হাতে পিয়ানো তুলে দাও আর রাজনৈতিক নেতাদের হাতে কবিতার বই।তারা দলগতভাবে পিয়ানোর সুরে কবিতা পড়ুক। অব্যশই তাদের হাতে থাকবে একটা করে টিউলিপ ফুল, রজনীফুরানো মৃত গোলাপের বদলে সাদা রজনীগন্ধা । সেইসব টিউলিপ আর রজনীগন্ধা নিয়ে রতিক্রিয়ায় মগ্ন গনিকাপল্লীতে তারা সুসংবাদ নিয়ে যাক , তারা ঠাঁই দিক তাদের হাতে বহনকৃত পিয়ানো ,কবিতার বই ,টিউলিপ ও রজনীগন্ধার নিচে। তারা আবদ্ধ হোক শুভ পরিনয়ে। এভাবে সমাপ্ত ঘটুক গনিকার নিষ্ঠুর সময়ের।
মর্শাল তোমরা পিয়ানো বাজাতে থাক....অনবরত কবিতাপাঠে মগ্ন থাক রাজনৈতিক নেতা।
ইয়াবা
প্রতিটি ভিন্ন ভিন্ন অতিথি পাখির হার্ট বিটের নাম দিয়েছি আমি ইয়াবা। বিড়ালের ব্যাথিত হ্রদয় আজ উঠেছে নিলামে। ওহে রিকশাওয়ালা, স্লেজগাড়ী চেন কি? তোমাদের নগরে আজ থমথমে রুক্ষতা। কার কথা বলছ ,হ্যামিলিয়ন??? সে ইঁদুর তাড়ানো ব্যাবসা ছেড়ে হয়ে গেছে ঘোড়াসওয়ার। তক্ষুনি প্রতিটি স্লেজ ,ঘোড়া,বিড়াল আর ইঁদুরের মালিকেরা হয়ে যায় অতিথি পাখি,যাদের হার্ট বিটের নামকরন করেছিলাম ইয়াবা।
কিসিং হিস্টোরি
বিমূর্ত মার্কারি জুড়ে থাক পৃথিবীর দীর্ঘতম চুমুর ইতিহাস। সোফিয়া থেকে আমরা কমিয়ে নিয়েছি আমাদের দুরত্ব রেখা সমূহ। নতুন করে লিখছি ট্রয়ের যুদ্ধ বিধ্বস্ত আত্মাদের কাহিনী। জিপিএস ছেড়ে কেউ কেউ আত্মস্থ করছে আত্মহত্যা পরবর্তী অনুচ্ছেদ গুলোর কথা। জীনের আছর হতে মুক্তি পেতে কেউ শুরু করছে জিনতত্বের গবেষনা। হেরেম থেকে মুক্ত করে আন তোমাদের স্ব স্ব প্রেমিকাকে। মেরিলিন সন্ধার অন্তরালে আমারা কেউ কেউ ছুঁয়েছি নগ্ন শিশুর বক্ষ স্ফিত কোমল গান্ধার। গ্রামোফোন নিছক খেলনা মাত্র । রিক্ততার সুরে ছেঁয়ে গেছে বিষুবীয় রেখা। ওদিকে কান পাতো। শুনতে পাচ্ছ, তানসেন গেয়ে উঠল পৃথিবীর সমস্ত রাগ, বাতাস ভারী হচ্ছে সুরের অর্গাজমে।
হ্যালোইনময় সন্ধা
তারপর একদিন হ্যালোইনময় সন্ধাগুলোগড়াতে গড়াতে শেষ হল লাস্ট উইন্টার।যাদুবিদ্যা ছেড়ে ম্যারাথন দৌড়।উপক্রমণিকার বদলে সেখানে জুড়ে দিলাম বিদ্ধস্ত দুপুর। রিলেটিভ বার্ডের যৌনতায় ঝুলে উড়ে গেলাম সাইবেরিয়া। ঋত্মিক তোমার যুক্তি তক্ক রেখে এবার গপ্প শুরু করো। সম্ভান্ত ভায়োলিন বাদকেরা, ইঁদুর ব্যবসার ইস্তফা টেনে চলে এসো সান্ধ্য নগরে। হারিয়ে যাওয়া ফাদারেরা ,তোমরা অজ্ঞাত, ডি ম্যাজেনড'র শূন্যতায়। ক্রমশ কোমল-গান্ধারে হারিয়ে যাওয়া চ্যাপলিন ইভিনিংগুলো একে একে গুজে রাখি ন্যারেটিভ কার্ডিনালে। সমস্ত মিথের মৃত্যুর পর অবসন্ন নবেলিস্টের গ্রীবার মধ্যে এঁকে যাই অ্যানা -কারোনিনা। ট্রয়ের মধ্যে হোরাস। বিসন্ন ইকারাস। কাঠবাদামের চির ধরে ধরে হয়ে যাই ক্ষুদ্র পিপীলিকা। ফুরিয়ে যাওয়া নাবিকের আত্মা পাহারা দিতে দিতে লাস্ট মোমেন্ট এর দিন ঘনিয়ে আসে। অবসন্ন দেহের ফুয়েলে মিশে যায় ওয়াটার অব জমজম। ধূসর হচ্ছে চার্চের ঘন্টাধ্বনি। যীশু হওয়ার ইচ্ছা আপাতত নেই। যীশু সাঁরস হয়ে উড়ে গিয়েছে। এখন ক্রুশময় খাঁ খাঁ শূন্যতা।চাইলে যে কেউ যীশু হতে পারে।


